জোকস (২৪তম পর্ব)

– সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দেখলাম তোর প্রতিবেশী জোয়ার্দার তোকে কি সব বলছে- হু ঠিকই দেখেছিস- তা কি এত বোঝাচ্ছিল তোকে ?- উনি আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন যে উনি আসলে কম কথার মানুষ

 

ট্রাফিক সপ্তাহ চলছিল। হটাৎ ট্রাফিক সার্জেন্ট একটা গাড়ি থামাল- গাড়ি থামালেন যে ? আমিতো কোন ভূল করিনি। গাড়ীর চালক বলল। – তা করেন নি। আসলে ট্রাফিক সপ্তাহ চলছে তো আপনাকেই দেখলাম সঠিক ভাবে আইন মেনে গাড়ি চালাচ্ছেন, সীট বেল্টও বাধা আছে… সেজন্য আমরা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা আপনাকে পুরস্কৃত করলাম… এই নিন খাম- ওহ সত্যি? আমি সত্যিই ভাগ্যবান- আপনি এখন এই টাকা দিয়ে কি করবেন? পুলিশ সার্জেন্ট হাসিমুখে জানতে চায়।- প্রথমেই গাড়ীর লাইসেন্স করব। – কি? ক্কি?? আৎকে উঠে ট্রাফিক সার্জেন! ‘ আপনার লাইসেন্স নেই??’এ সময় চালকের পাশে বসা স্ত্রী এগিয়ে এসে বলে ‘ প্লিজ অফিসার ওর কথা বিশ্বাস করবেন না মদ খেয়ে যখন ও গাড়ী চালায় তখন উল্টা পাল্টা কথা বলে- হোয়াট?? উনি ম-মদ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন?? সার্জেন্ট হতভম্ব! তখন পিছনের সীটে বসা চালকের বাবা  বিরক্ত ভঙ্গিতে বললেন ‘ তখনি বলেছিলাম এই চোরাই গাড়ি নিয়ে বের হয়ে কাজ নেই…ঝামেলা হতে পারে!’ সার্জেন্টের হেচকি উঠে যায়! ‘ হো-হোয়াট?? এটা চোরাই গাড়ি?’  এই সময় গাড়ির পছনের ডিকিতে ঠক ঠক শব্দ হয় ডিকির ভিতর থেকে ফিস ফিস আওয়াজ আসে ‘ ওস্তাদ বর্ডার কি পার হইছি? ডাইলের বস্তা বাইর করুম? ’ধুপ করে একটা শব্দ হয়।  না ডাইলের বস্তা পরার শব্দ নয়। ট্রাফিক সার্জেন্ট এর  অজ্ঞান হয়ে আছড়ে পড়ার শব্দ।

 

রেস্টুরেন্টে বসে দুই বন্ধু কথা বলছে। – বুঝলি খাবারের আনন্দ আসলে আগে চোখে তারপর মুখে…- তাহলে পেটে কি?- কেন গ্যাস!

 

– ডাক্তার সাহেব পেট ভর্তি গ্যাস কি করি?- পেট্রল পাম্পে চাকরী নেন

 

মুরগীকে তাড়া করেছে একটা মোরগ। মুরগী প্রানপনে ছুটছে। ছুটতে ছুটতে রাস্তা ্ ক্রশ করে অন্য পাশে যাওয়ার সময় হটাৎ একটা ছুটে আসা গাড়ির চাকায় পিশে মরে গেল মুরগীটা। এই দৃশ্য দেখল রাস্তার ধারে বসা একটা ভিক্ষুক, বির বির করে  স্বগোক্তি করল… ‘ মুরগীটা মইরা গেল তবু ইজ্জত দিল না’

 

 

শেয়ার বাজার পরে যাওয়ায় এক লোক তার সব শেয়ার বেঁচে দিচ্ছে । এই সময় বাসা থেকে ফোন এল কাজের লোক বলল ‘ স্যার গিন্নী মা পইরা গেছেন’

– বেচে দে। স্যারের উত্তর।

 

 

– ওয়েটার স্যুপে ছোট্ট একটা মাছি?

– মাফ করবেন স্যার আমাদের স্টকে এর চেয়ে বড় আর নাই …

 

 

– তোর খাটের নিচে দৈত্য ঢুকেছে তুই টের পেলি কিভাবে?

– কেন যখন আমার নাকটা সিলিং এ ঠেকল তখনই…

 

 

– তুই নাকি ভূত দেখেছিলি কাল?

– হু- ভয় পাস নি?

– না – কেন?

– বাহ আমি ভূতে বিশ্বাস করি না যে।