জোকস (২৭তম পর্ব)

ভারতের বিখ্যাত নায়ক মিঠুন চক্রবর্তীকে প্রশ্ন করা হল– আপনি কি ধরনের মেয়েদের পছন্দ করেন যারা শাড়ী পরে না যারা শালোয়ার কামিজ পড়ে?- আমি সেই ধরণের মেয়েদের পছন্দ করি যারা জানে কখন শাড়ি পড়তে হয় আর কখন শালোয়ার কামিজ পড়তে হয়। বিখ্যাত নায়কের উত্তর।

 

– বলতো দুই আর দুইয়ে কত হয়? – কেন চার!- না এখন আর দুই আর দুইয়ে চার হয় না , যে জামানা পড়েছে …এখন দ্ইু আর দুইয়ে হয় বাইশ!

 

– কি করে বুঝবেন কোন ফিউনারেল এ ক্লাউনরা আসছে?- কি করে?- টিপটপ ড্রেসে আসবে একদল লোক খুবই গম্ভীর… থাকবে তবে ওরা একটা গাড়ি থেকেই  সবাই নামবে!

 

– বুঝলি বাবাকে আমি কখনই হলুদ পাঞ্জাবী পড়তে দেই না – কেন? হিমুরা মোটা হয় না তাই?- না- তাহ?ে – আমার বাবা  এতই মোটা যে সে রাস্তার ধারে দাড়িযে থাকলে সবাই তাকে পার্ক করা হলুদ ক্যাব ভাবে।

 

শহরে প্রচুর তুষারপাত হচ্ছে। রেডিওতে ঘোষনা দেওয়া হল – ‘আপনারা আজ গাড়ি রাস্তার ডান দিকে রাখবেন বাম দিকের তুষারপাত পরিস্কার করা হবে। এক লোক তার গাড়ি রেডিওর কথা মত বান দিকে রাখল।’পরদিন আবার ঘোষনা- – ‘ আপনাদের গাড়ি আজ বাম দিকে রাখবেন ডানদিকের রাস্তা পরিস্কার করা হবে ’ সেই লোকটি গাড়ির কথামত এবার গাড়ি বামদিকে রাখল। তৃতীয় দিন রেডিওতে আবার ঘোষনা  – ‘ আজ গাড়ি… ’ রেডিও ট্রান্সমিশন বন্ধ হয়ে গেল। লোকটি চিন্তায় পড়ল আজ গাড়ি কোন দিকে রাখবে সে? বিষয়টা স্ত্রর সঙ্গে আলোচনা করতে গেলে স্ত্রী এবার রেগেই উঠল। বলল– আহ গাড়িটা গ্যারেজে আছে গ্যারেজেই থাকনা …দুদিনতো গারেজ থেকে বের করে একবারডান দিকে একবার বাম দিকে রাখলে… আজ গাড়িটা গ্যারেজেই থাক না।

 

প্লান ক্রাশ করতে যাচ্ছে। সমস্ত প্লেনে হৈ চৈ মৃত্যু ভয়ে সবাই ভতি এই সময় এক প্যাসেঞ্চার এয়ার হোস্টেসকে ডাকল। – এক্সকিউজ মি…- দেখুন এন কোন কিছু চাইবেন না। দেখতেই পারছেন আমরা মরতে বসেছি সবাই – না না আমি কিছু চাইব না। – তাহলে?- আমি জানতে চাইছি আমরা মরতে যাচ্ছি এ সময় একটা আতœজৈবনিক সামাজিক ছবি ছেড়ে লেখেছেন কেন?- কোথায় ছবি? মরার আগে সমস্ত জীবন ফ্লাশবাক করে মানুষের চোখের পর্দায় …আপনি সেটাই দেখছেন। এয়ার হোস্টেসের উত্তর!

 

– ছেলে আর মেয়ের মধ্যে বেসিক পার্তক্য কি বলতো? – কি? – ছেলেরা মেয়ে না আর মেয়েরা ছেলে না… – ঠিকতো!

 

– কিরে তোর পরিক্ষার প্রস্তুতী কেমন?- একদম হানড্রেড পার্সেন্ট প্রস্তুত…শুধু একটা জিনিষ বাকি আছে…- যেমন?- যেমন কলম, পেন্সিল, ইরেজার, স্কেল, স্টপওয়াচ সব প্রস্তুত…- কিন্তু একটা জিনিষ বাকি আছে বললি যে সেটা কি?- ইয়ে …সেটা হচ্ছে … পরীক্ষার পড়াটা প্রস্তুত হয় নি এখনো…

 

প্রেমিকা একজন প্রেমিক দুই জন। একজন ডাক্তার একজন ইঞ্জিনিয়ার। ডাক্তার প্রেমিক প্রেমিকাকে প্রতিদিন একটা করে ফুল দেয় আর ইঞ্জিনিয়ার দেয় একটা করে আপেল। একদিন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারকে চেপে ধরল – আচ্ছা আপনি প্রতিদিন ওকে একটা করে আপেল দেন কেন?- কেন জানেন না ‘ হ্যাভ এন এ্যাপল ডেইলি… কিপস এ ডক্টর এ্যাওয়ে…’

 

– সত্যি সত্যি ভাল কিছু করতে চাইলে সাহায্যের অনেক হাত এগিয়ে আসে…- আর করতে না চাইলে আসবে একটা হাত – সেটা আবার কোন হাত ?- অজুহাত…